নির্বাচন কমিশন হাতে চুড়ি পরে বসে আছে : সাদিক কায়েম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত January 30, 2026, 12:52 PM
নির্বাচন কমিশন হাতে চুড়ি পরে বসে আছে : সাদিক কায়েম
সংবাদটি শেয়ার করুন....

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: নির্বাচন কমিশন হাতে চুড়ি পরে বসে আছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, আমরা বলতে চাই নির্বাচন কমিশন আপনারা কী করছেন? আপনারা এখন পর্যন্ত হাতে চুড়ি পরে বসে আছেন।

আপনাদের কাজ কী? এই নির্বাচন যদি সুষ্ঠু, অবাধ এবং নিরপেক্ষ করতে না পারেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের যে পরিণতি হয়েছিল, তার চাইতে খারাপ পরিণতি আপনাদের হবে। আমরা সাবধান করছি, নির্বাচন কমিশনের কাজ হচ্ছে একটি সুষ্ঠু এবং অবাধ ক্রেডিবল নির্বাচনের আয়োজন করা।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় ঐক্যবদ্ধ ছাত্র সংসদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত গণজমায়েতে তিনি এসব কথা বলেন। সাদিক কায়েম আরও বলেন, বিএনপির যে সন্ত্রাসীরা আমাদের রেজাউল ভাইকে হত্যা করেছে, এই সন্ত্রাসীদেরকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে এবং এই হত্যার দায় তারেক রহমান আপনাকেও নিতে হবে।

কারণ আপনি আপনার প্ল্যানের কথা বলেছিলেন, কিন্তু আপনার এই প্ল্যানের মাধ্যমে এই গুন্ডাদেরকে আপনি সামলাতে পারেন নাই। সুতরাং এই হত্যার দায় আপনাকে নিতে হবে। বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত এক সপ্তাহজুড়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তরে ৫০-এর অধিক জায়গায় আমাদের মা-বোনদের ওপরে তারা হামলা করেছে বিএনপি।

যদি আর হামলা করতে আসে তাহলে তাদের হাত ভেঙে ফেলা হবে। এই জুলাই বিপ্লবে ১৫ জুলাই খুনি হাসিনা এবং তার দোসররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের বোনদেরকে মেরে রক্তাক্ত করেছিল। এর প্রেক্ষিতেই খুনি হাসিনা এবং তার দোসররা বাংলাদেশের মুক্তিকামী ছাত্র জনতার দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে ভারতে পালিয়ে যায়। আবার আমার মা-বোনদের ওপর হামলা করা হয় তাহলে তারা লন্ডনে যাওয়ার সময় পাবে না।

সাদিক কায়েম বলেন, দলটি শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ থেকে সরে এসে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাসের রাজনীতি ধারণ করছে। গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে দেশের ছাত্রসমাজ ও সাধারণ নাগরিকরা ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে প্রথম যে সিল পড়বে, সেটি হবে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে। সিলেটের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডাকসু ভিপি বলেন, প্রতিটি গ্রাম ও মহল্লায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচারণা চালাতে হবে।