এস এস কোচিং সেন্টারের সুনাম ক্ষুণ্নের অভিযোগ: শিক্ষক-ছাত্রীর ছবি এডিট করে মিথ্যা অপপ্রচার, ৩/৮/২০২৬দুই আইডি-পেজে পোস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত August 5, 2026, 17:48 PM
এস এস কোচিং সেন্টারের সুনাম ক্ষুণ্নের অভিযোগ: শিক্ষক-ছাত্রীর ছবি এডিট করে মিথ্যা অপপ্রচার, ৩/৮/২০২৬দুই আইডি-পেজে পোস্ট
সংবাদটি শেয়ার করুন....

বরিশাল প্রতিনিধি:
বরিশাল সদর উপজেলার একটি পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এক শিক্ষক ও নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর ছবি এডিট করে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসা এস এস কোচিং সেন্টারের একজন শিক্ষক এবং ওই প্রতিষ্ঠানের এক ছাত্রীকে জড়িয়ে কৃত্রিমভাবে ছবি তৈরি করে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষক ও ছাত্রীর ছবি সংগ্রহ করে তা এডিট/সংযোজনের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ছবি তৈরি করা হয়। পরে ওই ছবি ব্যবহার করে লিফলেট ছাপিয়ে বিভিন্ন স্থানে লাগানোর পাশাপাশি অনলাইনেও প্রচার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, তৈরি করা ওই বিভ্রান্তিকর ছবি ও মিথ্যা তথ্যের একটি পোস্ট ‘হাসান ইলেকট্রিকসিয়ান’ নামের একটি আইডি থেকে এবং আরেকটি ‘বরিশাল নিউজ’ নামের একটি পেজ থেকে প্রচার করা হয়েছে। এসব পোস্ট ও লিফলেটের সঙ্গে বাস্তব ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই এবং সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে শিক্ষক, ছাত্রী ও প্রতিষ্ঠানের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে এক যুবকের নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই কিশোরীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এতে সাড়া না পাওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষক ও ছাত্রীকে জড়িয়ে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এস এস কোচিং সেন্টারের সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘ পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির একাধিক শাখায় কয়েকশ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার কারণে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ঘটনার পর শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারও ছবি বিকৃত করে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। বিশেষ করে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীকে জড়িয়ে এ ধরনের প্রচারণা বন্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে অনলাইনে প্রচারিত পোস্ট ও লিফলেটের উৎস শনাক্ত করে প্রকৃত ঘটনা তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, এস এস কোচিং সেন্টারের শিক্ষক ও ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। পরিকল্পিতভাবে ছবি এডিট করে এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
আরো কোন তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।