স্টাফ রিপোর্টার।
যুদ্ধ বিস্তার লাভ করছে, আর বাংলাদেশের বাড়ছে বিপদ। বাংলাদেশ কি আগ্রাসনবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রস্তুতি নিচ্ছে? কোনো দেশ আগ্রাসন চালালে তা প্রতিহত করার মতো সামরিক সক্ষমতা কি আমাদের আছে?
পৃথিবী আজ যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে। রাশিয়া-ইউক্রেন বললে অবশ্য ভুল হবে। পাঠক, যুদ্ধটা এখন অনেকটাই রাশিয়া বনাম ইউরোপের লড়াই। যদিও আমেরিকা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে বের হয়ে যেতে চাচ্ছে। নিজেদের স্বার্থে ইউক্রেনের সম্পদের মালিকানা নিয়ে বিভিন্ন চুক্তির মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফাঁদ থেকে বের হতে না পারার কারণে আমেরিকার অস্ত্রের উৎপাদন আর চাহিদার মধ্যে বিশাল ফারাক তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধও এখন শুধু ইরান, আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে সৌদি আরব-ইয়েমেন সংঘাতের বিষয়টিও যুক্ত হয়েছে। আফ্রিকা মহাদেশের দিকে তাকালেও যুদ্ধের ভয়াবহ চিত্র দেখা যায়। সুদান, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, মালি, বুরকিনা ফাসো, নাইজার, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, নাইজেরিয়া ও ইথিওপিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে গৃহযুদ্ধ, বিদ্রোহ ও সশস্ত্র সংঘাত চলছে। লিবিয়ার আগুনও পুরোপুরি নেভেনি। সিরিয়া ও লেবাননও যুদ্ধ ও সংঘাতের প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। পাকিস্তান ব্যস্ত আফগানিস্তানকে ঘিরে সংঘাত নিয়ে। মিয়ানমারেও যুদ্ধ চলছে।
আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো যুদ্ধে নেই। কিন্তু পৃথিবীর এই যুদ্ধের আগুনে পুরো পৃথিবীর মতো আমরাও পুড়ছি। আমাদের ভৌগোলিক অবস্থান বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। অথচ এই অবস্থানই আমাদের অসহায় করে রেখেছে-এটাও একটি অপ্রিয় সত্য।
সমুদ্রবাণিজ্যের বড় একটি অংশ কার্যত যুদ্ধের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জ্বালানি সরবরাহ থেকে শুরু করে বিশ্ব অর্থনীতি-সবকিছুতেই যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে। পুরো পৃথিবী আজ যেন এক অঘোষিত বিশ্বযুদ্ধের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি। ইউরোপ যদি ইউক্রেনের প্রক্সি ওয়ার থেকে সরে এসে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে সেই ঘোষণা আসতে কতক্ষণ? সময়ের হাতে তার উত্তর ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আপাতত আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই।
তবে এতে বাংলাদেশের জন্য কী বিপদ দেখছি, সেটা এবার বলি।
আমাদের দেশে কোনো দেশ সামরিক আগ্রাসন চালালে তা প্রতিরোধ করার মতো প্রস্তুতি কি আমাদের আছে? আমাদের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী একপ্রকার বিনা অস্ত্রে জীবন দেবে-কিন্তু আধুনিক যুদ্ধ কি শুধু জীবন দিয়ে জেতা যায়? আকাশে আমাদের টিকে থাকার সম্ভাবনা অত্যন্ত সীমিত। আমাদের বিমানবাহিনীতে আধুনিক যুদ্ধবিমানের ঘাটতি রয়েছে, নেই পর্যাপ্ত শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। যা আছে, তা দিয়ে বিজয় দিবসে কুচকাওয়াজ করা যাবে, কিন্তু আধুনিক যুদ্ধের আকাশ প্রতিরক্ষা কতটা নিশ্চিত করা যাবে?
নেই পর্যাপ্ত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের ব্যবস্থা। আমরা মাত্র ড্রোনের যুগে প্রবেশ করেছি বলা যায়, এখনো শিশু। অথচ আধুনিক যুদ্ধের চিত্র বদলে গেছে। ড্রোন, পাল্টা ড্রোন ব্যবস্থা, রাডার, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং আকাশ প্রতিরক্ষা এখন যুদ্ধক্ষেত্রের অন্যতম প্রধান শক্তি।
এই সবকিছু মাথায় রেখেই বলছি, সামরিক আগ্রাসন না চালালেও আগ্রাসনের আশঙ্কা বা সেই ভয় দেখিয়ে সরকারকে প্রতিবেশী দেশের অনেক অন্যায় আবদারের কাছে বাধ্য করা হতে পারে। সরকার এই জাল ছিঁড়ে বের হওয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিছু জায়গায় সফল হচ্ছে, কিছু জায়গায় চরমভাবে ব্যর্থ হচ্ছে।
আর এই সুযোগে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদী সরকারের দলীয়করণ করা প্রশাসন-যা এখনো পুরোপুরি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসেনি-পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
চীনের সঙ্গে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে অনিশ্চয়তা ঝুলে আছে। বাংলাদেশের সামরিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিকল্প নেই-এটা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। সামরিক আগ্রাসন প্রতিহত করতে চীন অস্ত্র, প্রযুক্তি ও কূটনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে, যেখান থেকে বাংলাদেশের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকানোর আগে দুবার ভাববে।
চীন ও তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি ইরানের সঙ্গেও পর্দার আড়ালে আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। তবে সবকিছু হতে হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে।
এই সব বিপদের ওপর আবার আপদের ভূমিকা হিসেবে যুক্ত হয়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট। সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রতিবেশী পালটানো যায় না; আবার তাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে কথা বলার সক্ষমতাও অর্জন করতে হবে।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী যখন বলেন, দুই পক্ষ এক হয়ে গেছে, এ বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে-তখন বিষয়টিকে শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কথাটা রাজনৈতিক বয়ান হলেও এর বাস্তবতা অনেকখানি থাকতে পারে।
এই দুই পক্ষকে আমি যতটা না জামায়াত আর আওয়ামী লীগ হিসেবে দেখি, তার চেয়ে বেশি দেখি প্রতিবেশী দেশ এবং তাদের এদেশীয় পেইড-আনপেইড এজেন্টদের বোঝাপড়া হিসেবে। তারা কীভাবে মাঠে খেলবে, সরকারকে কীভাবে মোকাবিলা করবে সেই বার্তাও হয়তো প্রধানমন্ত্রী দিতে চেয়েছেন।
তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যথেষ্ট প্রজ্ঞার সঙ্গে এই সংকট থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে বের করবেন।
কিন্তু এই সংকটের জন্য বিএনপি দল হিসেবে বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেননি-এমনটা বলারও সুযোগ নেই। গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যায়, তারেক রহমানকে ঘিরে রাখা হয়েছে এমন কিছু লোক দিয়ে, যাঁরা হয়তো তাঁকে মাঠপর্যায়ের প্রকৃত বাস্তবতা বুঝতে দিচ্ছেন না।
বিএনপির মধ্যে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন, যাঁদের বিরুদ্ধে দলের স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনের আগে তাঁরাই হয়তো বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে, হিন্দু ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে আসবেন না, বিএনপিকে ভোট দেবেন না, বরং জামায়াতকে ভোট দেবেন। আর এই সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক নিজেদের পক্ষে পাকা করতে পার্শ্ববর্তী দেশের যোগসাজশে ‘বাংলাদেশ মতুয়া বহুজন সমাজ’ নামক একটি নতুন সংগঠন দাঁড় করানো হয়েছে-এমন অভিযোগও রয়েছে।
সংগঠনটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেন এর নেতারাই সব হিন্দুর প্রতিনিধিত্ব করেন। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে। আমার প্রশ্ন, এই সংগঠনের নেতৃত্বে যাঁরা আছেন, তাঁরা আসলে কতটা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করেন? তাঁরা কি ধর্মীয় পণ্ডিত, নাকি রাজনৈতিক স্বার্থে একটি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করার দাবি করছেন?
এই সংগঠনের দুই ব্যক্তি কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল ও সোমনাথ একসঙ্গে ভারত সফরে গিয়ে এই পরিকল্পনা করেছিলেন-এমন অভিযোগ রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার কাছে তাঁদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা এবং আটক করার ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁরা কীভাবে আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে এলেন, সে প্রশ্নও রয়ে গেছে।
এই দেশে প্রতিবেশী দেশের হাজারো এজেন্ট এবং ফ্যাসিবাদী সরকারের রেখে যাওয়া ব্যবস্থা এখনো বহাল রয়েছে-এমন অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি।
যাহোক, সে কথা থাক। এবার মূল কথায় আসি।
আমার বক্তব্য হলো, এই সংগঠনটিকে হিন্দু ভোট ধরে রাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে-এমন রাজনৈতিক হিসাব যদি সত্যি হয়ে থাকে, তাহলে বিএনপি বড় ভুল করেছে। সংসদীয় আসন নিশ্চিতভাবে জেতার মতো জায়গায় দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে অন্যদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে।
শেখ হেলালের মতো মানুষের চোখে চোখ রেখে যাঁরা বিএনপির পতাকা ধরে রেখেছেন, তাঁদের এক নিমিষে মাইনাস করে দেওয়া হয়েছে-এমন অভিযোগ তৃণমূলের কাছে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থেকে দল পরিচালনা করার কারণে তারেক রহমানের কাছে মাঠপর্যায়ের সব তথ্য সঠিকভাবে পৌঁছেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন আছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর যখন শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যসহ অনেক নেতা-কর্মী পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নেন এবং দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তখন বিএনপির সব নেতা-কর্মী হিন্দুদের মন্দির ও এলাকায় রাতের পর রাত জেগে পাহারা দিয়েছিলেন। তাঁরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করেছিলেন কাজের মাধ্যমে, কথার মাধ্যমে নয়। এবং তাতে ১০০% ফল বিএনপির ঘরে উঠতো।
মাঠপর্যায়ের এই তথ্য কি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পৌঁছেছিল? নাকি পৌঁছাতে দেওয়া হয়নি?
আমার মনে হয়, এই তথ্য তাঁর কাছে সঠিকভাবে পৌঁছায়নি। আর সেই ভুলের মাশুল এখন বিএনপিকে অনেক বড়ভাবে দিতে হচ্ছে।
বিএনপি শুধু দুটি আসন হারায়নি; আমার দৃষ্টিতে, দলটি বাগেরহাটের পুরো রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে। দলের প্রতিটি ত্যাগী নেতা-কর্মীকে, বিশেষ করে বাগেরহাটে যাঁরা স্বার্থের জন্য নয়, পদ-পদবির জন্য নয়, একমাত্র আদর্শের টানে রাজপথে লড়াই করেছেন, তাঁদের আজ কোথায় পাওয়া যায়? সোজা উত্তর পাওয়া যায় না।
তাঁরা বিএনপির কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নেন না, তাঁদের খুঁজে পাওয়া যায় না। কাউকে বহিষ্কার করা হয়েছে, কাউকে ক্ষমতাহীন করে রাখা হয়েছে। তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের একের পর এক বলি দেওয়া হচ্ছে। আর সব সুযোগ-সুবিধা চলে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের লোকদের হাতে-এমন অভিযোগ স্থানীয়ভাবে শোনা যাচ্ছে। এবং মাঠে গিয়ে সত্যতাও পাওয়া যাচ্ছে।
বাগেরহাটে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলে, কে ক্ষমতায়-উত্তর আসে, আওয়ামী লীগ।
একজন জাতীয়তাবাদী আদর্শের ধারক হিসেবে আমি আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে যতটুকু পেরেছি, ততটুকুই বিশ্লেষণ তুলে ধরলাম। হয়তো সরকারের কারও চোখে পড়বে, হয়তো এই বিশ্লেষণ সরকারের কাজ কিছুটা সহজ করবে।
বিএনপিকে মনে রাখতে হবে, বিএনপির রাজনীতির মূল মেরুদণ্ড হচ্ছে জাতীয়তাবাদ। আগ্রাসনবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে লড়াই করা, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা-এটাই জাতীয়তাবাদের মূল কথা।
বিএনপিকে এই দেশের মানুষ ভালোবাসে। কিন্তু আপস করতে করতে একদিন বিএনপি নিজেই ইতিহাস হয়ে না যায় এই ভয় পিছু ছাড়ে না। সময় থাকতে পদক্ষেপ নিন, প্লিজ।
দেশের স্বার্থে ভুল সিদ্ধান্ত সংশোধন করুন। ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করুন। প্রশাসনের ভেতরে থাকা দুর্বলতা ও অনিয়ম দূর করুন। প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ান। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখুন, কিন্তু জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে নয়।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপস নয়। জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে আপস নয়। আর দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতার রাজনীতি নয়।
সময় থাকতে সতর্ক হোন। কারণ ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল শুধু একটি দলকে দিতে হয় না-কখনো কখনো পুরো দেশকে দিতে হয়।