হোটেল কর্মচারী গরিব পিতা নিজের মেয়েকে কাজে দেন বিরাট আমলার ঘরে। আমলাটি বিমান বাংলাদেশের এমডি।
সরকারের সবচে’ দূর্নীতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।
কথা ছিল নিজের মেয়ের মত দেখে রাখবে, ভাত-কাপড়ের বন্দোবস্ত করবে, পড়াশোনাও করাবে। বড়ো হলে বিয়েসহ যাবতীয় খরচই তারা বহন করবে।
অসহায় পিতা তাতে রাজি হয়ে গত বছরের জুন মাসে তিনি তার ১১ বছর বয়সী মেয়েটাকে এই বাসায় দেন।
গত পাঁচ ছয় মাস ধরে তিনি সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও নানা অজুহাতে দেখা করতে দেয়নি তাঁরা। নানা প্রবোধ, ভালো থাকার গল্প শুনিয়েছে।
এরপর গত জানুয়ারির শেষ দিনে দুপুরবেলা জানান, তার মেয়েটি অসুস্থ। তিনি পাগলপ্রায় হয়ে মেয়েকে আনতে যান।
তাকে ঘরের ভেতরে ঢুকতে পর্যন্ত দেওয়া হয় নি। বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা গড়ালে ৭টার দিকে বাড়ির বাইরে এই আহত, আর্ত, ক্ষত বিক্ষত হয়ে যাওয়া মেয়েকে বুঝিয়ে দেন।
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে প্রধান দায়িত্বে থাকা একজন কর্তার পরিবারে এই মেয়েটি প্রতিদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
অথচ এই শিশুটিকে নেওয়া হয়েছিল আরেকটা শিশুর খেয়াল রাখতে। মারধর, খুন্তি গরম করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে।
একটা বাচ্চা মেয়েকে পৈশাচিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে দিনের পর দিন!
ছবিতে মেয়েটি এবং বিমান বাংলাদেশের সভ্য এমডি।
তাকে ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই গ্রেফতার নিশ্চয় কদিন পর মুক্তিতে পরিণত হবে। বিচার কি হবে?