আসন্ন বিসিসি নির্বাচনে ১১ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনের হালচাল,,, আসন্ন নির্বাচনে ধারাবাহিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত August 31, 2026, 22:06 PM
সংবাদটি শেয়ার করুন....
বরিশাল প্রতিনিধি। প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে ১১ নং ওয়ার্ডের জনমত জরিপের ভিত্তি অনুযায়ী বিভিন্ন প্রার্থী দের প্রচারনা বর্তমানে চা দোকান থেকে শুরু করে ঘরে ঘরে পৌছে গেছে,,,এই ওয়ার্ডে এখন পর্যন্ত ৪ জন প্রার্থী হিসাবে লড়াই করার লক্ষ্য নিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন ভাবে প্রচারণা শুরু করেছে,,এর মধ্যে আছেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সম্পাদক, জনাব হাবিবুর রহমান হাবিব,মামুন হোসেন,মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন এবং বর্তমান ওয়ার্ড বিএনপির সম্পাদক, রানা পাল।১১ নং ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় ভোট ব্যাংক হিসাবে স্টেডিয়াম কলোনীকে প্রাধান্য দিয়ে সকলেই সেখানে নিজেদের কৌশল অনুযায়ী ভোটারদের নিজের দিকে আবদ্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে জনমত জরিপ অনুযায়ী এই ওয়ার্ডে এখন পর্যন্ত ভোটের বিবেচনায় সবার চেয়ে জনাব হাবিবুর রহমান হাবিব এগিয়ে থাকার কথা শোনা যাচ্ছে। তিনি এর আগেও একবার কমিশনার প্রার্থী হিসাবে লড়াই করেছে এবং সেটা জনাব শফিকুল আলম গুলজারের বিপক্ষে,, অল্প কিছু ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হলেও ওয়ার্ডে ব্যাপক সারা জাগিয়েছিলেন,পরবর্তীতে রাজনৈতিক ভাবে কোনঠাসা হয়ে বাধ্য হয়ে প্রবাসে গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয়ে জার্মানিতে অবস্থান করেছেন,,প্রবাসে থাকলেও এতো বছর ওয়ার্ডের জনগনের ভালো মন্দ খোজ খবর নেওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখে নি,,তাই এবার জনগন তাকেই এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসাবে সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করলে সে সবার মতামতের মূল্য দিতে নির্বাচনে অংশ নিবে বলে জানান।জানা গেছে আগামী ৯ তারিখ তিনি বাংলাদেশে আসবেন,,তার লক্ষ্য একটাই নির্বাচনে কি হবে সেটা পরের বিষয় তার মুল চাহিদা জনগনের সাথে থাকা,,,,আর এই বিষয়টাই জনগনের একক সাপোর্ট পাওয়ার মূল কারন হিসাবে জানা যায়।অন্য প্রান্তে জামায়াত সমর্থীত প্রার্থী হিসাবে মাওলানা শাখাওয়াত হোসেন ধীর গতিতে প্রচারনা করার চেষ্টা করছেন তবে তাদের হয়তো অন্য কোন ইকুয়েশন থাকতে পারে,, তবে ভোটের মাঠে তেমন আলোড়ন তৈরি করার মতো কিছু দেখা যায় না বলে জানা যায়।তবে এই ওয়ার্ডে এলাকাভিত্তিক কিছু হিসাব থাকার কারনে আলেকান্দা এলাকার মামুন হোসেন একক প্রার্থী হওয়ায় মূলত ুকটু আলোচনায় আছেন।তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভোটার জানান,তার ভাই এ-ই ওয়ার্ডে সাবেক সভাপতি বারের কাউন্সিলর ছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ আছে বলে শোনা গেলেও এলাকার প্রভাবের হিসাবে তিনি আলোচনায় আছেন। সর্বশেষ রানা পাল বর্তমান ওয়ার্ড বিএনপির সম্পাদক সম্পর্কে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে,, অনেকের ধারনা একই এলাকার বাসীন্দা জনাব হাবিবুর রহমান হাবিব এবং রানা পাল,,, তাই হাবিবুর রহমান হাবিব আসার পর হয়তোবা তিনি ভোটের মাঠে নাও থাকতে পারে, আবার শোনা যায় তরুন নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছেন তিনি,,আবার শোনা যায় তিনি নিজেকে সবার মাঝে বিলিয়ে দিয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে চমক দেখাতে চায়,,,তবে এ বিষয় জানতে চাওয়ার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে তাকে পাওয়া যায় নায়।। তবে এখন পর্যন্ত মাঠ জরিপ অনুযায়ী এই ওয়ার্ডে নির্বাচনে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছেন হাবিবুর রহমান হাবিব এবং তার পরে স্হান ভিত্তি অনুযায়ী জনাব মামুন কে ধরা যায়। পরিশেষে বলা চলে ১১ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনে জমজমাট লড়াই হওয়ার মতো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।তারপরও তফসিল ঘোষণা পর্যন্ত ভোটের হাওয়া কোন দিকে ঘোরে সেটাই দেখার বিষয়।