নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসময় আরও বলেন, ‘ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিক মুক্ত রাখতে হবে। বিগত ২০ বছর ক্রীড়াঙ্গন ছিলো রাজনীতির দখলে। আগে ক্রীড়াঙ্গনে কিছু দেওয়ার জন্য ক্রীড়ামোদিরা আসছেন; আর এখন আসেন নিতে। বাংলাদেশে ক্রীড়ামোদীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ক্রীড়ামোদিদের জায়গা রাজনীতি, ব্যবসায়ীরা দখল করেছে। এই ধারা দেখে বেরিয়ে আসা উচিত।
দিনব্যাপী ‘এএফসি গ্রাসরুটস ফুটবল ডে উপলক্ষে যশোর সদরের হামিদপুরে শামস-উল-হুদা ফুটবল একাডেমিতে খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের ৮০০ ক্ষুদে ফুটবলারের পদচারণায় রঙিন হয়ে উঠে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এখানে এসে ছোট বাচ্চাদের দেখে আমি আমার তারুণ্যের দিনগুলিতে ফিরে গেলাম। আমার সবচেয়ে প্রিয় শহর যশোর। আমি যশোর ক্যান্টমেন্টে যুদ্ধ করেছিলাম। যশোরে আড়াই বছর চাকরি করেছি শুরুতে। শামসুল হুদার নামে স্টেডিয়াম হওয়ায় আমি খুশি। তার নামে এখন একাডেমি হয়েছে বাংলাদেশে এমন নজির নেই।’
‘নাসের জাহেদীর মতো এমন ১০ জন ক্রীড়ামোদি থাকলে আমরা এতদিন বিশ্বকাপের কাছাকাছি থাকতাম। জাহেদী সাহেব এই উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন প্রত্যাশা এমন। পাকিস্তান এবং আর্জেন্টিনার অতিথি এসেছে তাদের ধন্যবাদ। আশা করি যশোরের ফুটবলের মান উন্নত হবে সঙ্গে বাংলাদেশের। বাংলাদেশ এশিয়ার ফুটবল ম্যাপে আরো এগিয়ে যাবে। এশিয়ার মধ্যে সেরা দল হবে বাংলাদেশ।’-মন্তব্য করেন স্পিকার।
অনুষ্ঠানে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।তিনি জানান, দেশের গ্রাসরুট ফুটবল উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে আর্জেন্টিনা থেকে কোচ আনার। যারা ভালো খেলবে, তাদের আর্জেন্টিনায় পাঠানোর বিষয়ও ভাবা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো চার্লোসও একাডেমির সুযোগ-সুবিধা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন। শিশুদের অংশগ্রহণ ও আগ্রহ দেখে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এখান থেকেই উঠে আসবে বাংলাদেশের আগামী দিনের ফুটবল তারকারা। তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ও ভবিষ্যৎ ফুটবল তারকাদের গড়ে তুলতে এই ধরণের ব্যকিক্রমধর্মী এই আয়োজন বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।