• ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলা খেয়াঘাটে লঞ্চমালিকদের সিন্ডিকেটের কারণে ভোগান্তিতে যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ১৬, ২০২৬, ২০:০৮ অপরাহ্ণ
ভোলা খেয়াঘাটে লঞ্চমালিকদের সিন্ডিকেটের কারণে ভোগান্তিতে যাত্রীরা
সংবাদটি শেয়ার করুন....
জেলা প্রতিনিধি ভোলাঃ ভোলা খেয়াঘাটে লঞ্চমালিকদের কথিত সিন্ডিকেটের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। অভিযোগ উঠেছে,ভোলা খেয়াঘাট- টু ঢাকা রুটে ৮টির রুট পারমিট থাকলেও মাত্র একটি লঞ্চ চলে মাঝে মধ্যে আবার অনেক সময় কোন লঞ্চও ছাড়েনা খেয়াঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য এতে দুর দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে আবার যখন মাঝে মধ্যে একটি লঞ্চ ছাড়ে যাত্রীদের কাছথেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ রয়েছ , সময়সূচি উপেক্ষা এবং যাত্রীদের জিম্মি করে ইচ্ছামতো লঞ্চ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এতে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলের হাজারো মানুষকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ করে ছুটির দিন ও রাতে যাত্রীচাপ বাড়লে সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন একাধিক লঞ্চ একসঙ্গে বন্ধ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়। পরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে সীমিতসংখ্যক লঞ্চ চলাচল করানো হয়। অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে বেশি টাকা দিয়ে যাতায়াত করছেন।
যাত্রীদের অভিযোগ, ভোলা খেয়াঘাটে তদারকির অভাবে লঞ্চমালিক ও বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্ট কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি মিলেই এই অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন। ভাড়া নিয়ে প্রতিবাদ করলে যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
লঞ্চ কতৃপক্ষ দেশের কন্ঠকে জানান,একদিকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি অন্য দিকে যাত্রী সংকট  হওয়ার কারনে তাদের লঞ্চ চলাচল করতে যে খরচ হয় তাই ওঠেনা প্রতিট্রিপে তাদের লোকসান গুনতে হয়, এজন্যই তারা মাঝে মধ্যে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখে।
একাদিক যাত্রীরা জানান,প্রতিদিন এইঘাট দিয়ে লঞ্চ চলাচল করার কথা থাকলেও প্রায় সময় এই ঘাটে লঞ্চ চলাচল সম্পুর্ন বন্ধ করে দেয় অসাধু  লঞ্চ মালিকরা, মাঝে মধ্যে একটি লঞ্চ চলাচল করলে “নির্ধারিত ভাড়া থাকলেও যাত্রীদের্কে জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারির আশ্বাসও দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সাধারণ যাত্রীরা দ্রুত সিন্ডিকেট ভেঙে স্বাভাবিক নৌযান চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।